মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
বাংলা পপসংগীতের কিংবদন্তি আজম খান, যাকে দেশের পপসংগীতের ‘গুরু’ হিসেবে পরিচিত, মৃত্যুর ১৩ বছর পর পেলেন স্বাধীনতা পুরস্কার। এই নন্দিত শিল্পীকে এই সম্মাননা প্রদান দেশে তার অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। তার পরিবারের সদস্যরা আনন্দিত হলেও, আজম খানের মেয়ে অরণী খান জানান, বেঁচে থাকলে আনন্দের পরিমাণ আরও বেড়ে যেত।

আজম খানের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে অরণী খান বলেন, ‘খবরটি শোনার পর আমাদের পরিবার অনেক খুশি, তবে একটাই কষ্ট—আব্বা আর বেঁচে নেই, তাই আনন্দটা তার সঙ্গে ভাগ করা হলো না। এই পুরস্কার অনেক আগেই তার প্রাপ্য ছিল, কিন্তু কেন দেওয়া হয়নি, সেটা ভাবি না, এই দেরিতে হলেও রাষ্ট্র তাকে সম্মান দিয়েছে, তাতেই আমরা খুশি।’
অরণী আরও বলেন, তার বাবা কখনও পুরস্কারের জন্য পেছনে ছুটতেন না। “আব্বা কখনোই পুরস্কার নিয়ে মাথা ঘামাতেন না, তার কাছে মানুষের ভালোবাসাই ছিল সবচেয়ে বড় পুরস্কার,” বলেন তিনি। “যখন তাকে জিজ্ঞেস করতাম পুরস্কার না নিলেও কেন, তিনি বলতেন, ‘মানুষের ভালোবাসাই আমার বড় পুরস্কার।’”

আজম খান ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, একাত্তরের যুদ্ধে অংশ নিয়ে গেরিলা লড়াই করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের পর গড়ে তুলেছিলেন গানের দল ‘উচ্চারণ’। ক্যারিয়ারে ১৭টিরও বেশি অ্যালবাম উপহার দিয়েছেন তিনি। ২০১১ সালের ৫ জুন মৃত্যু ঘটে এই পপসম্রাটের।